বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএন.সি.সি)

কলেজের সহশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ৩৫ মহাস্থান ব্যাটালিয়ন, রাজশাহীর আওতায় অত্র কলেজে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বি.এন.সি.সি) এর কার্যক্রম চালু আছে। ৩১ জন ক্যাডেট (ছাত্রী) নিয়ে বি.এন.সি.সি এর মহিলা প্লাটুন গঠিত। এই প্লাটুনের প্রশিক্ষণ ও কার্যক্রমের জন্য একজন সামরিক কর্মকর্তা (স্টাফ) এবং তত্তাবধায়নের জন্য একজন দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক (পি.ইউ.ও) আছেন। প্রতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে ভর্তির পর নতুন ক্যাডেট ভর্তি করা হয়।

ভর্তির যোগ্যতা:
১। উচ্চতা: ৫ ফুট ২ ইঞ্চি (নূন্যতম)
২। ওজন: ৪৫ কেজি (নূন্যতম )
৩। বুকের মাপ: স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি, প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি
৪। সম্মতিপত্র: পিতা মাতার সম্মতি পত্র।

ভর্তির মূল উদ্দেশ্য:
ক) পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মানুবর্তী জীবন গঠনে সহায়তা করা।
খ) স্বেচ্ছা সেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখা।
গ) প্রাকৃতিক বিপর্যয়,জরুরী অবস্থায় বেসামরিক বাহিনী হিসাবে জনগণের পাশে সাহায্যের হাত নিয়ে দাড়ানো।
ঘ) আত্মরক্ষা মূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নিজের জীবনের নিরাপত্তার ব্যবস্থাকরণ।

ভর্তির পর করণীয়:
ক) প্রতি সপ্তাহে সুবিধাজনক সময়ে ২দিন সামরিক স্টাফের নেতৃত্বে প্রশিক্ষণ ও ক্লাশ।
খ) বছরে ২ থেকে ৩ টি প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণের নিমিত্তে নিজ জেলার বাইরে ৩ থেকে ৭দিনের ক্যাম্পে অংশগ্রহণ।
গ) জাতীয় দিবস সমূহের প্যারেডে অংশগ্রহণ।
ঘ) কলেজের অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠান সমূহে ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পালন।

সুবিধা সমূহ:
ক) খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের দক্ষতা থাকলে তার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমে রেডিও,টিভিতে অনুষ্ঠান করার সুযোগ।
খ) অস্ত্র চালনায় দক্ষতা অর্জন।
গ) প্রতিভা ও দক্ষতার প্রমান দিতে পারলে প্রতিবছর সার্কভুক্ত দেশ সমূহে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে ভ্রমণের সুযোগ।
ঘ) ২ বছরের ক্যাডেটশীপ সমাপ্তির পর সার্টিফিকেট অর্জন,যা দ্বারা সামরিক বাহিনী ,পুলিশ,আনসার ও বিজিবিতে বিশেষ
কোটায় নিয়োগ প্রাপ্তির সুযোগ।

বিঃদ্রঃ ভর্তির পর থেকে যাবতীয় ক্লাশ ও প্রশিক্ষনের যাতায়াত ও আনুসাঙ্গিক ব্যয় কলেজ কর্তৃপক্ষ বহন করে থাকে।